কক্সবাজার প্রতিনিধি ||
ঈদের দিনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে কাঙ্খিত পর্যটকদের দেখা যায়নি । দেখা মিলছে হাতেগোনা কয়েক হাজার স্থানীয়কে। তবে রোববার থেকে পর্যটকের আগমন বাড়বে বলে আশা করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (২২ এপ্রিল) দুপুর থেকে সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, সীগাল, লাবণী, কবিতা চত্বর ও ডায়াবেটিক পয়েন্টে পর্যটকের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়নি। কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে দুয়েক হাজার স্থানীয়কে দেখা যায়। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যটক আসবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, ‘সাধারণত ঈদের দিন পর্যটকরা বের হন না। কিছু কিছু পর্যটক এসেছেন। কয়েকটি হোটেলে ৮-১০ টা রুম ভাড়া হয়েছে। তবে আগামীকাল রাত থেকে পর্যটকরা আসতে শুরু করবেন। আবহাওয়া ঠিক থাকলে কক্সবাজারে পর্যটকে ভরপুর হবে এবং ব্যবসায়ীরা কাঙ্খিত ব্যবসা করতে পারবেন।’
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম নেওয়াজ বলেন, ‘পবিত্র সিয়াম সাধনার পর গরমে অতিষ্ঠ মানুষ। তাছাড়া আজ পবিত্র ঈদ। এদিন লোকজন যার যার বাড়িতে ব্যস্ত। তাই ঈদের দিনে সমুদ্রসৈকতে পর্যটক নেই। যারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা স্থানীয়। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে প্রচুর পর্যটক কক্সবাজারে ভিড় করবে। ইতোমধ্যে অনেকে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন এবং অধিকাংশ হোটেলে রুম বুকিং রয়েছে। সবমিলিয়ে আশা করছি পর্যটকরা ঈদের ছুটিতে তাদের প্রিয় কক্সবাজার এসে ঘুরে বেড়াবেন।’
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মুহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘এই ঈদের টানা ছুটিতে কক্সবাজারে ২ লাখ পর্যটক আসবে বলে ধারণা করছি। যতই পর্যটক আসুক না কেন, তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে ট্যুরিস্ট পুলিশ সবসময় সজাগ রয়েছে।’